Header Ads Widget

banner image

Tourist spot in Rangpur | Doctors Gang Tourism

Best Tourist spot in Rangpur with History with Resident Hotel info.

Prayas Shena Binodon Park (প্রয়াস সেনা বিনোদন পার্ক)/Ghagot park,  Rangpur.  

Prayas Shena Binodon Park (Ghagot Rangpur)

History of Prayas Shena Binodon Park :

In 2013, the Bangladesh Army in Rangpur  built the Prayash Shena Binodon Park on both sides of the Ghaghat River, covering an area of ​​about 1,100 acres. Across the vast area of ​​the park is a combination of a variety of medicinal,herbl, forest and fruit trees. There are three picnic spots named Teesta, Karatoya and Jamuna.

Inside the Prayas Shena Binodon   Park there are also various portraits, artificial beaches, boat trips, children's entertainment, picturesque torn islands and flower gardens. There are strict security measures in the prayas sena binodon Park under the supervision of the Army. Eighty-five percent(85%) of the prayas Shena binodon Park's revenue is spent on the welfare of the disabled.

How to go in Prayas Shena binodon park :

Prayas Shena binodon Park/Ghagot is located on Nisbetganj Road in Rangpur city. Rickshaws, autos and CNG are available from Rangpur city to Prayas Sena binodon Park. 


Dhaka to Rangpur bus service  :

Mirpur, Savar, Mohammadpur, Mohakhali, Gabtali and Kalyanpur in the capital Dhaka to Rangpur modern, rangpur terminal or Medical mor . The bus fare from Dhaka to Rangpur 600 - 1200 Taka.

If necessary you can contact:

Greenline Transportation: 88-02-9112287, 88-02-9133145, 01730060006

Meem Transport - 01911-013694, 01734422971

SR Travels: Kalyanpur - 01711394801, 88-02-9033793, Gabtali - 88-02-9031226, Mohakhali - 01552-315831, Uttara - 01711-394804

Kurigram Transport 01924469437, 01914856826


Train from Dhaka to Rangpur:

The Rangpur Express train from Dhaka's Kamalapur railway station leaves at 9 am 6 days a week except Mondays. It costs 250 to 700 taka to go to Rangpur.

Accommodation / Hotel / Motel service in Rangpur:   

You can spend the night in different residential hotels in Rangpur. In different residential hotels in Rangpur, prices are charged according to the demand of the season

Hotel Northview: 0521-55405, 0521-55406

Tourist Motel: 0521-62111

The Park Hotel: 0521-65920

Hotel Golden Tower: 0521-65920

Hotel Tilottama: 0521-63482, 01718938424

Hotel Kashpia: 0521-61111, 01977-227742


Tajhat Palace, Rangpur (Tajhat Jomidarbari)


There were a fairly large numbee of eminent Zaminder families at Tajhat, Dimla, Kakina,
Manthana, Pirganj, Bardhankot etc.In the District of Rangpur. They had magnificent and
Beautiful palace of which the tajhat palace is most famous Manna Lal Ray.

Tajhat Jomidarbari Rangpur

The founder of the family was Hindu khati and an adherent of the Sikh religion. Who was obloged to
emigrate from the Punjab and settled at Mahiganj. Which, at time was the head quarts
of the district. He was a jeweler by profession. It is be lived that from the conspicuous
appearance of his taj or jeweled crown his estate detived the name of Tajhat. Manna Lal
Ray gradually acquired huge landed Properties in Rangpur.
His grandson Dhanapat Ray married a grand daughter of Ratan Lal Ray of Nya Kumka,
who was anter Punjabi immigrant Dhanapat Ray grandson Upendra Lal Ray died at an
early age and the estate therefore came into the possession of his uncle Giridari Lal
Ray having no issue, Adopte Govinda Lal of Kolkata, Who succeeded by his son Maha-
raja kumar Gopal Lal Ray in 1908. the palace os situated three kilometers on the
south-est. Outskirts of the town of Rangur. This magnificent edifice with about 76.20m
frontages rises in two strays and faces east. A 15.24m, imposing broad staircase in the
centre paved with imported white marble leads directly above the portieo to the appear
storey. The palace is crowned by airbed conical dome in the centre of the roof with a tall
octagonal neck, portly supported of a series of slender semi corinthian columns. The
balus trade in either side of the imposing satires was originality embellished with vari-
ous sculptures of classical Roman frigates in Italian marble, but now these are totally
missing.
There are two semi-octagonal projections at each wind of the fronr faced and a 9.144m.
Projecting central porch. The balcony roof above the porch is carried. On four graceful
columns on each of the projecting ends of the building, support a triangular gobble.
The palace is laid out inf the from of an English "U" with its open and to the west.
Beyond the entrance at ground floor level there is a very large hall measuring abuts
18.288m, X 13.716m, A 3m. Wide corridor runs the entire length of inner block. Two bro
vides access to the upper floor. There are about twenty two apartments of two
floors.Probably this palace was buolt by Maharaja Kumar Gopal Lal Ray in the begin-
ning of the 20th century A.D. From 1984 to 1991 the palace was used as a Rangpur. High
Court Branch of the Bangladesh supreme court. In 1995 the palace was declared as a
protected monument by the Department of Archaeology. Recognizing its outstanding
architectural value the Government of Bangladesh decided to shift the Rangpur
Museum here in 2002. Accordingly the palace is being partly used as Rangpur
Museum since 2005.

Accommodation / Hotel / Motel service in Rangpur:   

You can spend the night in different residential hotels in Rangpur. In different residential hotels in Rangpur, prices are charged according to the demand of the season

Hotel Northview: 0521-55405, 0521-55406

Tourist Motel: 0521-62111

The Park Hotel: 0521-65920

Hotel Golden Tower: 0521-65920

Hotel Tilottama: 0521-63482, 01718938424

Hotel Kashpia: 0521-61111, 01977-227742


তাজহাট জমিদার বাড়ি, রংপুর।

রংপুর জেলার তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, মন্থনা, পীরগঞ্জ, বর্ধনকোট ইত্যাদি এলাকায় বেশ কিছু বিখ্যাত জমিদার
বংশ ছিল। তাঁদের ছিল বিশাল আয়তনের সুন্দর সুন্দর প্রাসাদ, যার মধ্যে তাজহাট জমিদার বাড়ি সার্বধিক বিখ্যাত।
শিখ ধর্ম থেকে হিন্দু ধর্মে ধৰ্মান্তরিত মান্নালাল রায় ছিলেন তাজহাট জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পাঞ্জাব থেকে
এদেশে আসেন এবং রংপুরের মাহিগঞ্জে বসবাস শুরু করেন। সে সময় মাহীগঞ্জ ছিল রংপুরের জেলা সদর। তিনি
ছিলেন পিশায় স্বর্ণাকার। ধারণা করা হয় তার আকর্ষনীয় “তাজ” “রত্ন খচিত মুকুটের কারণে এই এলাকার নামকরণ হয় তাজহাট। মান্নালাল রায় তার জীবদ্দশায় অনেক ভূ-সম্পত্তির মালিক হন এবং ক্রমশঃ রংপুরের অনেক এলাকা নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসেন। তার নাতি ধনপত লাল রায় বিয়ে করেন নয়া দুমকার রতন লাল রায়ের নাত-
নীকে। রতন লাল রায় ও পাঞ্জার থেকে অভিবাসন গ্রহণ করেন। ধনপত রায়ের নাতি উপেন্দ্রলাল রায় অল্প বয়সে।
মারা যাবার কারণে জমিদারীর দায়িত্ব তার কাকা “মুনসেফ গিরিধারী লাল রায়ের হাতে এসে পড়ে। নিঃসন্তান হওয়ার কারণে তিনি কোলকাতার জনৈক গােবিন্দ লালকে দত্তক হিসেবে গ্রহণ করেন। গােবিন্দ লাল ১৮৭৯ সালে।
এই জমিদারীর উত্তরাধিকারী হন। তিনি ছিলেন খুবই স্বাধীনচেতা এবং জনপ্রিয়। ফলে তিনি ১৮৮৫ সালে “রাজা” ১৮৯২ সালে “রাজা বাহাদুর” এবং ১৮৯৬ সালে “মহারাজা” উপাধি গ্রহণ করেন। ১৮৯৭ এর ভূমিকম্পে নিজ বাড়ি
ধংসস্তুপের নীচে পড়ে তার মৃত্যু হয়। ১৯০৮ সালে তার ছেলে মহারাজা কুমার গােপাল লাল রায় জমিদারীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
প্রাসাদটি রংপুর শহর থেকে ৩ কিলােমিটার দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত। পূর্বমুখী দোতলা এ বিশাল প্রাসাদটির দৈর্ঘ্য ৭৬.২০
মিটার। বিদেশ থেকে আনা সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরী ১৫.২৪ মিটার প্রশস্ত কেন্দ্রীয় বড় সিড়িটি সরাসরি দোতলায় চলে
গিয়েছে যা এখন যাদুঘর হিসেবে ব্যাবহার হয়। সেমি-করিন্থীয় স্তম্ভ দ্বারা সমর্থিত আটকোনা বিশিষ্ট ড্রামের উপর স্থাপিত গুম্বুজটি প্রাসাদের মাঝ বরাবর
ছাদের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। সিঁড়ির উভয় পাশে দোতলা পর্যন্ত ইটালীয় মার্বেলের ধ্রুপদী রোমান দেব দেবীর মূর্তী দ্বারা
সজ্জিত ছিল। সেগুলাে অনেক আগেই হারিয়ে গিয়েছে। প্রাসাদের সম্মুখ ভাগের দু'প্রান্তে সেমি-আটকানাে বিশিষ্ট
উদ্গত ও মধ্য ভাগে একটি ৯.১৪ মিটার বারান্দা আছে। উক্ত বারান্দার ছাদের উপরে চারটি সুসজ্জিত করিন্থীয় স্তম্ভ
ও চাল বিশিষ্ট দুটি কক্ষ আছে। প্রাসাদটি ভূমি নর্থ ইংরেজির ইউ এর ন্যায় যার পশ্চিম দিক উম্মুক্ত। প্রাসাদের নিচ
তলায় প্রবেশ পথের পশ্চাতে ১৮.২৯ মিঃ ১৩.৭২ মিঃ মাপের হল ঘর আছে। প্রাসাদ অভ্যন্তরের পুরােভাগ জুড়েই
আছে ৩ মিটার প্রশস্ত বারান্দা। তাছাড়া উপর তলায় ওঠার জন্য প্রাসাদে কাঠের দুটি সিড়ি রয়েছে। সিড়ি দুটির উত্তর
বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে অপরটি পূর্ব বাহুর দক্ষিণ প্রান্তে। এ প্রাসাদের মােট ২২টি কক্ষ আছে।
ধারণা করা যায়, বিংশ শতকের শুরুর দিকে মহারাজা কুমার গােপাল লাল রায় এই প্রাসাদ নির্মাণ করেন। ১৯৮৪
সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বেঞ্চ হিসেবে ব্যাবহার হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ইমারতটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসাবে ঘােষণা করে। এই প্রাসাদের অনন্য স্থাপত্যিক গুরুত্ব
উপলদ্ধি করে বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে এখানে রংপুর জাদুঘর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তদানুযায়ী ২০০৫ সাল থেকে এই প্রাসাদের অংশ বিশেষ “রংপুর জাদুঘর” হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।


Tourist spot in Rangpur | Doctors Gang Tourism Tourist spot in Rangpur | Doctors Gang Tourism       Reviewed by Noman Islam Nirob on Wednesday, September 30, 2020 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.